সময় লোড হচ্ছে…
আজকের পাঠক 15
মোট ভিজিটর 521

বারুইপুরের পুনরাবৃত্তি গাইঘাটায়, নাবালিকা ‘ধর্ষণ’ ও ‘খুন’ কাণ্ডে অভিযুক্তকে এনকাউন্টার পুলিশের

0
F22

বারুইপুরের পুনরাবৃত্তি, বারুইপুরের চিত্র এবার ফুটে এলে গাইঘাটায় , পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু হল গাইঘাটায় নাবালিকা স্কুলছাত্রীকে যৌন হেনস্থা ও খুনের মামলায় ধৃত প্রহ্লাদ দাসের । জানা গিয়েছে, ভোর রাতে বছর তেইশের ধৃত প্রহ্লাদ দাসকে ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে পুনর্নির্মাণ করার সময় ফেরার পথে পুলিশের রিভলভার ছিনিয়ে নিয়ে গুলি চালানোর চেষ্টা করেছিল। আত্মরক্ষার্থে পুলিশের তরফেও পালটা গুলি চালানো হয়। আর তাতেই মৃত্যু হয় তাঁর।

গাইঘাটায় ‘এনকাউন্টার’, ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় পুলিশের গুলিতে মৃত মূল অভিযুক্ত। মঙ্গলবার ভোররাতে এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ভোররাতে প্রহ্লাদকে অপরাধস্থলে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছিল। সেখান থেকে ফেরার সময় আচমকা এক পুলিশ আধিকারিকের কাছ থেকে রিভলভার ছিনিয়ে নেয় প্রহ্লাদ। পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালায় সে। খালে লাফিয়ে পড়ে কোনও রকমে প্রাণে বাঁচেন এক পুলিশ আধিকারিক। এর পর আত্মরক্ষার্থে অন্য এক পুলিশ আধিকারিক কয়েক রাউন্ড গুলি চালান। তাতেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে প্রহ্লাদ। পরে বনগাঁ সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে।

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সকালে গাইঘাটা থানা এলাকায় একাদশ শ্রেণির ছাত্রীর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনায় ধর্ষণ এবং খুনের অভিযোগ দায়ের করে মেয়েটির পরিবার। পরে প্রহ্লাদকে গ্রেফতার করে হেফাজতে নেওয়া হয়। মঙ্গলবার ভোররাতে তাকে ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। আর সেখান থেকে ফেরার পথেই এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় প্রহ্লাদের। প্রহ্লাদের দেহের ময়নাতদন্ত হবে। তবে প্রহ্লাদ কয় রাউন্ড গুলি চালায়, পুলিশই বা কত রাউন্ড গুলি চালায়, তা স্পষ্ট নয় এখনও পর্যন্ত।

গোটা ঘটনায় দু’দিন আগে বিবৃতি দেন বনগাঁ পুলিশ জেলার এসপি বিদিশা কলিতা দাশগুপ্ত। সেই সময় তিনি বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে খুন এবং ধর্ষণের ঘটনা বলেই মনে হচ্ছে। কিন্তু তদন্ত চলছে। মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। পরিবারের অভিযোগ, মেয়েটির সঙ্গে খারাপ কাজ করে খুন করা হয়েছে। মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। পোস্টমর্টেম হবে। সব দিক খতিয়ে দেখব আমার। আরও কেউ যুক্ত কি না দেখা হবে।”

শনিবার রাতে বান্ধবীদের সঙ্গে ঘুরতে গিয়েছিল নির্যাতিতা। তার পর আর বাড়ি ফেরেনি সে। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায়নি। পর দিন সকালে এক আত্মীয়ের বাড়ির পিছন দিকে, শৌচাগারের কাছ থেকে তার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। মেয়েকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে পরিবার। সেই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছিল প্রহ্লাদকে। নাবালিকার পরিবারের অভিযোগ ছিল, “আরও দু’জন ছিল ওর সঙ্গে। অথচ পুলিশের কাছে এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেনি। নাম বলতে চায়নি এখনও। একার পক্ষে এই কাজ করা সম্ভব নয়। আমরা চাই, দোষারী শাস্তি পাক।” আগে, বারুইপুরে নাবালিকাকে গণধর্ষণ এবং খুনের ঘটনাতেও একই ঘটনা ঘটে। সেবারও ধৃত প্রভাস মণ্ডলকে ঘটনা পুনর্নির্মাণ করতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানেও পুলিশ জানায়, অফিসারের সার্ভিস রিভলবার ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করে প্রভাস। পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় সে। এর পাল্টা আত্মরক্ষার্থে গুলি চালায় পুলিশ। তাতেই মারা যায় প্রভাস।

শনিবার রাতে বান্ধবীদের সঙ্গে ঘুরতে গিয়েছিল নির্যাতিতা। তার পর আর বাড়ি ফেরেনি সে। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায়নি। পর দিন সকালে এক আত্মীয়ের বাড়ির পিছন দিকে, শৌচাগারের কাছ থেকে তার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। মেয়েকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে পরিবার। সেই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছিল প্রহ্লাদকে। নাবালিকার পরিবারের অভিযোগ ছিল, “আরও দু’জন ছিল ওর সঙ্গে। অথচ পুলিশের কাছে এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেনি। নাম বলতে চায়নি এখনও। একার পক্ষে এই কাজ করা সম্ভব নয়। আমরা চাই, দোষারী শাস্তি পাক।”

এর আগে, বারুইপুরে নাবালিকাকে গণধর্ষণ এবং খুনের ঘটনাতেও একই ঘটনা ঘটে। সেবারও ধৃত প্রভাস মণ্ডলকে ঘটনা পুনর্নির্মাণ করতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানেও পুলিশ জানায়, অফিসারের সার্ভিস রিভলবার ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করে প্রভাস। পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় সে। এর পাল্টা আত্মরক্ষার্থে গুলি চালায় পুলিশ। তাতেই মারা যায় প্রভাস। আজ সেই ঘটনারই পুনরাবৃত্তি হয় উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটায়।

জানা যায়, গত রবিবার গাইঘাটায় এক কিশোরীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। এক প্রতিবেশীর বাড়ি থেকে বিবস্ত্র অবস্থায় ওই দেহটি উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি, ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগে প্রহ্লাদ দাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জানা যায়, ধৃত ব্যক্তি ওই পরিবারের আত্মীয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। দোষীর কড়া শাস্তির দাবিতে চলে বিক্ষোভ। ঘটনার পরেই বিশেষ তদন্তকারী দল অর্থাৎ সিট গঠন করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। জানা যায়, সোমবার রাতে ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় অভিযুক্তকে। পুলিশের দাবি, পুনর্নির্মাণ শেষে ফেরার পথে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করে প্রহ্লাদ। আটকানোর চেষ্টা হলে পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করেন তিনি। ঘটনায় আহত হন এক পুলিশ কর্মীও। সেই সময় আত্মরক্ষার্থে পালটা গুলি চালায় পুলিশও। সেই সময় গুলিবিদ্ধ হন অভিযুক্ত ওই যুবক। গুরুতর অবস্থায় বনগাঁ সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে, প্রহ্লাদকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

গাইঘাটা থানার পুলিশের তরফে জানানো হয় যে, আজ ভোররাতে ধৃত প্রহ্লাদ দাসকে অপরাধস্থলে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছিল। সেখান থেকে ফেরার সময় আচমকা এক পুলিশ আধিকারিকের কাছ থেকে রিভলভার ছিনিয়ে নেয় প্রহ্লাদ। এমনকি পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলিও চালায় সে। শেষে ওই পুলিশ আধিকারিক কোনোরকমে খালে লাফিয়ে প্রাণে বাঁচেন। এর পর আত্মরক্ষার্থে অন্য এক পুলিশ আধিকারিক কয়েক রাউন্ড গুলি চালান আর তাতেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে প্রহ্লাদ। পরে ধৃতের দেহ বনগাঁ সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed