সময় লোড হচ্ছে…
আজকের পাঠক 15
মোট ভিজিটর 521

সুপ্রিম কোর্টে স্বস্তি জ্ঞানেশের, রাহুলের আবেদন-সহ একাধিক মামলার শুনানি আপাতত স্থগিত

0
F2

এসআইআর, ফর্ম ১৬ থেকে শুরু করে একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া-একাধিক অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছিল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সমস্ত মামলার শুনানি স্থগিত করে দিল সুপ্রিম কোর্ট।

এমনকি SIR সংক্রান্ত মামলার শুনানিও স্থগিত রেখেছে দেশের শীর্ষ আদালত। পরবর্তী শুনানি হওয়ার কথা আগামী নভেম্বর মাসের ১৭ তারিখ। বলাই বাহুল্য, বিতর্ক তৈরি হওয়ার পর গতকালই আদালতে হলফনামা জমা দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সেখানে জানানো হয়েছিল, সর্বসম্মতিতেই সমস্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে।’ কমিশনের হলফনামা জমা দেওয়ার পর জবাব দিতে অন্তত ১০ দিনের সময় চেয়ে নিয়েছেন এই মামলার আইনজীবী।

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বাকি দুই কমিশনারের মত না নিয়ে SIR করেছিলেন! শুধু তাই নয়, SIR প্রক্রিয়া সহ একাধিক ক্ষেত্রে জ্ঞানেশ কুমারের পদক্ষেপের বিরোধিতা করে বারবার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন বাকি দুই নির্বাচন কমিশনার। তাতে নাকি কর্ণপাত করেননি জ্ঞানেশ কুমার। এমন খবরের ভিত্তিতেই পরে আদালতে জ্ঞানেশ বাবুর পদত্যাগের দাবিতে মামলা দায়ের করেন আবেদনকারীরা।

তাছাড়াও মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে চলা বিতর্কের মাঝেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেন রাহুল গান্ধীরাও। সেই সব মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার। যদিও তার আগেই সোমবার আদালতে হলফনামা জমা দিয়ে কমিশন জানিয়েছিল, সর্বসম্মতিতেই সমস্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। একই সাথে দুই নির্বাচন কমিশনারের মতবিরোধের বিষয়টিও উড়িয়ে দেয় কমিশন।

এসআইআর, ফর্ম ১৬ থেকে শুরু করে একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া-একাধিক অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছিল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে। একাধিক মামলা একত্রিত করে মঙ্গলবার শুনানি শুরু হয় সুপ্রিম কোর্টে। সেখানে আপাতত স্বস্তি পেলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। ইতিমধ্যেই একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে একটি হলফনামা জমা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। অন্যান্য অভিযোগগুলিতেও কমিশনের মতামত জানতে চেয়ে নোটিস দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

What is a Stay Order

মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কার্যপদ্ধতি এবং এসআইআর-সংক্রান্ত ফর্মে আনা পরিবর্তনকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে পিটিশন দায়ের হয়। তার পরিপ্রেক্ষিতেই মঙ্গলবার জমা দেয় কমিশন। সেখানে বলা হয়, উত্থাপিত অভিযোগগুলি সম্পূর্ণভাবে একটিমাত্র সংবাদ প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে করা হয়েছে।কমিশন স্পষ্ট করেছে, কোনও সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার আগে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার প্রতিটি পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতামত, পরামর্শ, পর্যবেক্ষণ, ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি বা প্রশ্ন – সবকিছুই বিবেচনা করা হয়। সুতরাং, সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশনারদের মতামতও বিবেচনায় থাকে।

এই হলফনামা মেলার পর মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে শুরু হয় শুনানি। ফর্ম ৬ ইস্যুতে সওয়াল করেন রাজ্যসভা সাংসদ মেনকা গুরুস্বামী। পালটা কমিশনের আইনজীবী জানান, এই নিয়ে সওয়াল চলতে পারে না কারণ প্রসঙ্গ থেকে একেবারে সরে যাচ্ছে। একই সঙ্গে হলফনামা জমা দিতে চেয়ে শীর্ষ আদালতের কাছে সময় চেয়ে নিয়েছেন কমিশনের আইনজীবী। তাঁদের জন্য দু’সপ্তাহ সময় মঞ্জুর করেছে সুপ্রিম কোর্ট। ততদিন পর্যন্ত শুনানি স্থগিত থাকবে। আগামী ১৭ নভেম্বর ফের শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে।

উল্লেখ্য, ভোটারের নাম তোলার ফর্ম ৬-এ পরিবর্তন সংক্রান্ত অভিযোগগুলিও খারিজ করে দিয়েছে কমিশন। তারা স্পষ্ট করেছে, এসআইআর সংক্রান্ত তিনটি নির্দেশের কোনওটির ফলেই ফর্ম ৬-এ কোনও পরিবর্তন আসেনি। এসআইআর প্রক্রিয়ার সময় ফর্ম ৬-এর সঙ্গে যুক্ত অতিরিক্ত ঘোষণাটি ছিল স্বতন্ত্র। তবে, একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্বীকার করে কমিশন জানিয়েছে, অনলাইনে ঘোষণাটি যেভাবে প্রদর্শিত হয়েছিল, তা দেখে মনে হতে পারে যে ফর্মটিতে সংশোধন আনা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed