হাওড়া-কলকাতা পুরভোটের প্রস্তুতি বিজেপির! লক্ষ্মীপুজোর আগে মেগা বৈঠকে বনসল
পুজো মিটতেই পুরভোটের প্রস্তুতি তুঙ্গে, চলতি মাসেই কলকাতা-হাওড়ায় প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পথে বিজেপি। দুর্গাপুজো শেষ হতেই রাজ্যে বেজে উঠল পুরভোটের দামামা। কমিশন এখনও চূড়ান্ত নির্ঘণ্ট ঘোষণা না করলেও ওয়াকিবহাল মহলের অনুমান, আগামী নভেম্বরেই কলকাতা ও হাওড়া-সহ সাতটি পুরসভা ও পুরনিগমে নির্বাচন হতে পারে।

এই আবহেই কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছে শাসকদল বিজেপি। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বৃহস্পতিবার রাতেই শহরে আসেন দলের কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল। শুক্রবার রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর মেগা বৈঠকে বসার কথা রয়েছে।

দ্বাদশী থেকেই পুরসভা ভোট নিয়ে ময়দানে নেমে পড়ল বঙ্গ বিজেপি। আজ শুক্রবার সল্টলেক পার্টি অফিসে আসন্ন পুরভোট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক বসছে রাজ্যের শাসকদল। বাঙালির প্রাণের দুর্গাপুজো শেষ। এবার রাজ্যে পুরভোটের ঢাকে কাঠি পড়তে চলেছে। বৃহস্পতিবার রাতে শহরে আসেন বঙ্গ বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল।

আজ শুক্রবার রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা তাঁর। সেখানে আসন্ন পুরনির্বাচনে প্রার্থী তালিকা, প্রস্তুতি নিয়ে মেগা বৈঠক বসতে পারেন তিনি। সব ঠিক থাকলে অক্টোবরেই হাওড়া ও কলকাতার পুরনিগম ভোটের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে পারে বিজেপি। এমনটাই সূত্রের খবর।

নভেম্বরে কলকাতা-হাওড়া-সহ সাতটি পুরনিগম ও পুরসভায় ভোট! কমিশন চূড়ান্ত দিন ঘোষণা না করলেও এমনটাই মত ওয়াকিবহল মহলের। তার আগে চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে বিজেপির অন্দরে। প্রার্থী তালিকা নিয়ে চলছে ঝাড়াই-বাছাই। সূত্রের খবর, তৃণমূল টিকিটে জেতা পুরসভার সদস্যরা বিজেপির হয়ে দাঁড়াতে যোগাযোগ রেখে চলছেন। রাজ্য স্তরের নেতৃত্বের পাশাপাশি তারা কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গেও কথা বলছেন,এমনটাই খবর সূত্রের। এই আবহে বৈঠকে শুক্রবার বৈঠকে বসবেন বনসল। সব ঠিক থাকলে চলতি মাসেই প্রকাশিত হতে পারে, পুরভোটে বিজেপির প্রথম দফার তালিকা।

এ দিকে শুধু এই সাতটি পুরসভা বা পুরনিগমের ভোট নয়, আগামী বছরের বাকি পুরসভার ভোটেরও প্রস্তুতি শুরু করে দিতে চাইছে বিজেপি। জানা যাচ্ছে, জেলা স্তরের সাংগঠনিক কিছু বদলের সিদ্ধান্ত নিতে পারে শীর্ষ নেতৃত্ব। রাঢ় বঙ্গ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা মিলিয়ে ১০টি সাংগঠনিক জেলার কমিটিতে বদল আনতে পারে বিজেপি। তালিকায় রয়েছে কলকাতায় সাংগঠনিক জেলাও।

সব মিলিয়ে পুজো মিটতেই রাজনৈতিক পারদ চড়ছে বঙ্গে। তবে বিজেপি প্রস্তুতি শুরু করে দিলেও অনেকটাই পিছিয়ে বিরোধী শিবির। তৃণমূল প্রতীক এখনও ফ্রিজ। মমতা নাকি ঋতব্রত শিবির কোন পক্ষের কাছে যাবে জোড়াফুল চিহ্ন তা ঝুলে রয়েছে। সেই সমস্যা মেটাতে নির্বাচন কমিশন দুই শিবিরকেই ডেকেছে। ৩০ তারিখ সেই শুনানি। এ দিকে কংগ্রেসও অনেকটা পিছিয়ে। বামেরাও পিছিয়ে। তবে পুরভোটের প্রস্তুতি শুরু করেছে বিজেপি।