সময় লোড হচ্ছে…
আজকের পাঠক 20
মোট ভিজিটর 526

চতুর্থীতে পুলিশের দুয়ারে অভিষেক

0
4

চতুর্থীতে পুলিশের দুয়ারে অভিষেক, ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডে হাজিরা দিতেই হল সাংসদকে। নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছিল, বুধবার সকাল ১১টায় তাঁকে হাজিরা দিতে হবে। সেই নোটিসের ভিত্তিতেই আজ অর্থাৎ চতুর্থীতে সকালে নির্ধারিত সময়েই শেক্সপিয়র সরণি থানায় হাজির হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডে পুলিশের দুয়ারে হাজির হলেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। ক্যামাক স্টিটের বিলবোর্ড কাণ্ডে সোমবার তাঁকে থানায় তলব করেছিল শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ। ওইদিন হাজিরা এড়িয়ে পুলিশকে ইমেল পাঠিয়ে তলবের আগে ৪৮ ঘণ্টা সময় চেয়েছিলেন সাংসদ। সেই মেলের পরেই সোমবার ফের অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিলেন পুলিশ আধিকারিকরা। অভিষেককে বুধবার হাজিরা দেওয়ার নোটিস দিয়ে এসেছিলেন তাঁরা। নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছিল, বুধবার সকাল ১১টায় সাংসদকে হাজিরা দিতে হবে। সেই নোটিসের ভিত্তিতেই আজ অর্থাৎ চতুর্থীর সকালে নির্ধারিত সময়েই শেক্সপিয়র সরণি থানায় হাজির হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এক আইনজীবীকে নিয়ে থানার ভিতরে যান তিনি।

বিলবোর্ড খুলতে গেলে পুরকর্মী ও পুলিশের কাজে বাধা ও হেনস্তার অভিযোগে রবিবারই তাঁর বাড়িতে গিয়ে নোটিস দিয়েছিলেন শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ। নোটিসে উল্লেখ ছিল, সোমবার সকাল ১০টায় তৃণমূল সাংসদকে শেক্সপিয়র সরণি থানায় হাজিরা দিতে হবে। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও সেদিন থানা মুখো হননি তিনি। অভিষেকের তরফে ৪৮ ঘণ্টার সময় চাওয়ার মেল পেতেই পুলিশ সেদিনই তাঁকে বুধবার হাজিরার নোটিস দিয়ে আসে বাড়িতে গিয়ে। এদিন নোটিসে উল্লেখিত সময় মেনেই আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে শেক্সসরণি থানায় পৌঁছে যান তিনি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে বিলবোর্ড খুলতে গেলে পুরকর্মীদের কাজে বাধা দেওয়া হয়। এমনকী পুলিশ ও পুরকর্মীদের মারধরেরও অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে অভিষেকের বিরুদ্ধে ৩টি মামলা রুজু করে পুরসভা। এর আগেও পুরসভার দায়ের করা একটি মামলায় ৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে। পুরসভার আরও একটি এফআইআরের ভিত্তিতে শেক্সপিয়র সরণি থানায় তলব করা হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

গত ২৭ আগস্ট অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে লাগানো বিলবোর্ড খোলা নিয়ে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। ওই অফিসে থাকা নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয় একপ্রস্থ। অভিযোগ, অভিষেকের অফিসে ঢুকতে গেলে কলার ধরে পুলিশকে মারধর করা হয়। ধস্তাধস্তিতে বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী সিঁড়িতে পড়ে যান। পুরকর্মীদেরও বারবার বাধা দেওয়া হয়। করা হয় মারধরও। কলকাতা পুরসভার দাবি ওই বিলবোর্ডটি ‘বেআইনি’। শেষ পর্যন্ত অবশ্য কোনও বাধাই কাজে আসেনি। বিলবোর্ড খুলে দেয় পুরসভা। পুলিশ ও পুরকর্মীদের বাধা দেওয়ার অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে আটকও করা হয়েছে। তাঁদের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে অভিষেক-সহ একাধিক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করে কলকাতা পুরসভা। অবশেষে সেই মামলায় হাজিরা দিলেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় । যদিও থানার সামনে গাড়ি থেকে নামার পর সাংবাদিকরা তাঁর উদ্দেশে একাধিক প্রশ্ন করলেও, একটি প্রশ্নেরও জবাব না দিয়ে থানার ভিতরে ঢুকে যান অভিষেক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed