সময় লোড হচ্ছে…
আজকের পাঠক 22
মোট ভিজিটর 528

‘তিরঙ্গা ওড়ানোর জন্য গ্রেফতার’! সিজেপির পাশে রাহুল-অভিষেক

0

‘তিরঙ্গা ওড়ানোর জন্য গ্রেফতার’! সিজেপির পাশে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রকে খোঁচা রাহুল-অভিষেকের। সিজেপির দুই নেতার গ্রেফতারি ও তাঁদের হেফাজতে পাঠানোর সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সরব হয়েছেন মমতা তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মহুয়া মৈত্র। পাশাপাশি বিরোধী জোটের অন্যান্য নেতারাও সরব হয়েছেন।

দিল্লির যন্তর মন্তরে তালাবন্ধ গেট টপকে ভিতরে ঢুকে প্রতিবাদ দেখানোর অভিযোগে ককরোচ জনতা পার্টির (Cockroach Janata Party) দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছে আদালত। তাঁদের প্রতিবাদের নিশানায় ছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সিজেপির দুই নেতার গ্রেফতারি ও তাঁদের হেফাজতে পাঠানোর সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সরব হয়েছেন মমতা তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মহুয়া মৈত্র। পাশাপাশি বিরোধী জোটের অন্যান্য নেতারাও সরব হয়েছেন।

ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সমাজমাধ্যমে সরব হন মমতা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের পোস্টে তিনি জাতীয়তাবাদ নিয়ে বিজেপির অবস্থানকে কটাক্ষ করেন। অভিষেকের বক্তব্য, নিজেদের দেশে তেরঙ্গা ওড়ানো এবং জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে প্রতিবাদ জানানোর জন্য ভারতীয়দের গ্রেফতার করা হচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকার এই কাজকেই শান্তিশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার ঘটনা হিসেবে দেখছে। অভিষেকের সংযোজন, যাঁরা নিজেদের সবচেয়ে বড় জাতীয়তাবাদী বলে দাবি করেন, তাঁরাই এখন দেশের মাটিতে তেরঙ্গা ওড়ানো ও হাতে নিয়ে প্রতিবাদ জানানোর জন্য ভারতীয়দের গ্রেফতার করছেন। পোস্টের শেষাংশে ‘পাকিস্তানীকৃত ভারত’ বলে কটাক্ষ করে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তিনি।

অভিষেকের পাশাপাশি সিজেপির দুই নেতার পাশে দাঁড়িয়েছেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রও। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা করে তিনি মন্তব্য করেন, “মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ একজন ‘তিহাড়ি’! তিনি বহাল তবিয়তে বাইরে বসে থাকলেও সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কার মতো ছাত্র নেতারা ৫ দিনের হেফাজতে! সব মনে থাকবে।” মহুয়ার বক্তব্যের মূল সুর, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে তাঁর রাজনৈতিক আক্রমণের পাশাপাশি দুই ছাত্রনেতাকে পাঁচ দিনের হেফাজতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা। তাঁর মন্তব্যে স্পষ্ট, এই ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা – দুই বিষয়কেই রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে আনতে চাইছে বিরোধী শিবির।

এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ তথা ইন্ডিয়ার অন্যতম মুখ রাহুল গান্ধী। তাঁর কথায়, প্রতিবাদের জন্য ছাত্রনেতাদের এইভাবে আটক বা গ্রেফতার করা আসলে কাপুরুষোচিত মানসিকতা। ছাত্রসমাজ, সাংবাদিক, বিরোধী পক্ষ – সকলে গণতন্ত্র বাঁচাতে পথে নেমেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed