সময় লোড হচ্ছে…
আজকের পাঠক 15
মোট ভিজিটর 521

সাতসকালে শিয়ালদহের খাবার দোকানে হানা, বাদ গেল না রাজুদার পকেট পরোটাও!ফুড লাইসেন্স নেই রাজুদার

0
F

শনিবার খাদ্য সুরক্ষা বিভাগের পক্ষ শিয়ালদহের বেশ কয়েকটি দোকানের গরম সিঙ্গারা, ঘুগনি , তৈরি করা খাবার গুণগত মান পরীক্ষা করা হয়। যেগুলির মান ঠিক ছিল না, সেগুলি ফেলে দেওয়া হয়। বিভিন্ন মশলাও কেমিক্যালে মিশিয়ে দেখা হয় যে গুণগত মান ঠিক আছে কি না।সকাল সকাল ফের কলকাতা পুরসভার খাদ্য সুরক্ষা বিভাগের অভিযান। এবার অভিযান চালানো হল শিয়ালদহ স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় থাকা খাবারের দোকানগুলিতে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল রাজুদার পকেট পরোটার দোকান থেকে শুরু করে ফুটপাথ ও ফ্লাইওভারের নীচে থাকা অন্যান্য খাবারের দোকানগুলিতে অভিযান চালানো হয়। প্রতিটি দোকান থেকে খাবারের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়।

সাধারণ মানুষ প্রতিদিন যে খাবার খাচ্ছেন, তা যেন গুণগত মানে সঠিক ও সুরক্ষিত হয়, তার জন্যই বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালাচ্ছে খাদ্য সুরক্ষা দফতর। দুর্গাপুজোর আগেও বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালানো হয়েছিল। অনেক নামকরা রেস্তোরাঁর লাইসেন্স-ও সাসপেন্ড করা হয়। কোথাও কোথাও দোকান সাময়িকভাবে বন্ধ-ও করে দেওয়া হয়।

শনিবার সকালে আচমকা শিয়ালদহ স্টেশন সংলগ্ন খাবারের দোকানে হানা দেন খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা। একাধিক দোকানে খাবারের নমুনা সংগ্রহ করেন আধিকারিকরা। সিঙ্গারা, কচুরির তরকারি, মাছ, মাংসের নমুনা সংগ্রহ করে তাতে রাসায়নিক মিশিয়ে দেখা হয়। রাসায়নিক মেশানোর পরেই ওই খাবারের গুণগত মান সম্পর্কে জানতে পারেন আধিকারিকরা। এরপর পচা খাবারগুলিকে ফেলে দেওয়া হয়। মোট ১০০টি সিঙারা, কচুরির ডাল, তরকারি, পচা চিকেন, মাছের ডিম ফেলে দেওয়া হয়েছে।

আধিকারিকরা জানান, গুণগত মান পরীক্ষায় এই খাবারগুলি উত্তীর্ণ হতে পারেনি। সেই কারণে ফেলে দেওয়া সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দোকানদারদেরও সাবধান করে দেওয়া হয়েছে। স্টেশন সংলগ্ন রাজুদার দোকানেও হানা দেন আধিকারিকরা। ফ্লোর টেস্টে তাঁর তরকারি পাশ করেছে। সেগুলি ল্যাব টেস্টের জন্য পাঠানো হয়েছে। ৭ দিন পর রিপোর্ট আসবে।

আজ সকালে কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের ফুড সেফটি উইং-এর আধিকারিকেরা শিয়ালদহ চত্বরের বিভিন্ন খাবারের দোকানে পৌঁছে যান। সেখানে ফুড সেফটির (FSSAI)-র নিয়ম মেনে খাবার প্রস্তুত হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখেন। খাবার তৈরির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত মশলার গুণগত মান ঠিক আছে কি না, রং-কেমিক্যাল মেশানো হচ্ছে কি না, সব কিছুই যাচাই করে দেখা হয়।বেশ কয়েকটি দোকানের গরম সিঙ্গাড়া, ঘুগনি , তৈরি করা খাবার গুণগত মান পরীক্ষা করা হয়। যেগুলির মান ঠিক ছিল না, সেগুলি ফেলে দেওয়া হয়। বিভিন্ন মশলাও কেমিক্যালে মিশিয়ে দেখা হয় যে গুণগত মান ঠিক আছে কি না। দোকানিদের সতর্ক করা হয় যে তারা যেন সেফটি ক্যাপ পরে খাবার তৈরি ও বিক্রি করেন।

শিয়ালদহের বিখ্যাত রাজুদার পকেট পরোটার দোকানে খাদ্য সুরক্ষা দফতরের হানা। শনিবার সাতসকালে NRS হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকার এই দোকানে হানা দেন আধিকারিকরা। খাবারের গুণমান পরীক্ষা, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা হচ্ছে কি না, তা খুঁটিয়ে দেখেন খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা।

সূত্রের খবর, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া রাজুদার এই দোকানের ফুড লাইসেন্স নেই। তাহলে কি এ বার বন্ধ হয়ে যেতে চলেছে রাজুদার বিখ্যাত পরোটার দোকান? খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, খাবারের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। খাবারের গুণগত মান জানার জন্যে সেগুলির ল্যাবরেটরি টেস্টিং করা হবে। তার রিপোর্ট পাওয়ার পরেই জানা যাবে খাবারের গুণমান ঠিক রয়েছে কি না। তা জানার পরে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।

রাজু জানিয়েছেন, তার ফুড লাইসেন্স নেই। কী ভাবে আবেদন করতে হবে, তা অফিসাররা জানিয়েছেন। ভবিষ্যতে বড় জায়গায় দোকান খোলার ইচ্ছে রয়েছে রাজুর। সব নিয়ম খাবারের গুণগত মান বজায় রাখার চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল রাজুদার পকেট পরোটার দোকানেও পৌঁছে যান ফুড সেফটি বিভাগের আধিকারিকরা। সেখানেও খাবারের গুণমান পরীক্ষা করে দেখা হয়। রাজুদা নিজেও বলেন, “এই অভিযান হওয়া দরকার। কারণ এখানে পাঁচজন পাচ রকমের মানুষ খাওয়া-দাওয়া করছেন। বিশেষ করে হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে আসা রোগী, গরিব মানুষ আসেন। এটা নিয়মিত দরকার। আমরা যত সচেতন হব, সতর্কতা অবলম্বন করব, ততই ভালো হবে।”

কলকাতা পুরসভার খাদ্য সুরক্ষা দফতর সূত্রে খবর, আমান কুমার পরিদর্শনের সময় কিছু অনিয়ম ধরা পড়েছে। অভিযানের সময়ে সেখানকার সংরক্ষিত খাদ্যদ্রব্যে তারিখের ট্যাগ না মেলায় এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ জুস মজুত রাখার জন্য নির্দিষ্ট আইনে নোটিস দেওয়া হয়েছে পাশাপাশি, বেহালা এলাকার বিভিন্ন রেস্তোরাঁ ও মিষ্টির দোকানে পুজা-পূর্ববর্তী পরিদর্শন অভিযান চালানো হয়েছে এবং একাধিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কলকাতা পুরসভার খাদ্য সুরক্ষা দফতর সূত্রে খবর, আমান কুমার পরিদর্শনের সময় কিছু অনিয়ম ধরা পড়েছে। অভিযানের সময়ে সেখানকার সংরক্ষিত খাদ্যদ্রব্যে তারিখের ট্যাগ না মেলায় এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ জুস মজুত রাখার জন্য নির্দিষ্ট আইনে নোটিস দেওয়া হয়েছে পাশাপাশি, বেহালা এলাকার বিভিন্ন রেস্তোরাঁ ও মিষ্টির দোকানে পুজা-পূর্ববর্তী পরিদর্শন অভিযান চালানো হয়েছে এবং একাধিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed