সময় লোড হচ্ছে…
আজকের পাঠক 21
মোট ভিজিটর 527

রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রকল্পে আরও পাঁচটি এমস

0
F2

পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য প্রকল্পে বড় সুবিধা সরকারি কর্মীদের, দিল্লির পর আরও ৫ এমস-এ চিকিৎসার সুযোগ । রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রকল্পে যুক্ত হল আরও পাঁচটি এমস, চিকিৎসার খরচ ফেরত পাওয়ার নিয়মও স্পষ্ট করল অর্থ দফতর। এত দিন দিল্লির আনসারি নগরে অবস্থিত এমস রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় চিকিৎসার জন্য তালিকাভুক্ত ছিল। এ বার সেই তালিকায় যুক্ত হল বিহারের পটনা, অসমের গুয়াহাটি, পশ্চিমবঙ্গের কল্যাণী, ওড়িশার ভুবনেশ্বর এবং ঝাড়খণ্ডের দেওঘরের এমস।

রাজ্য সরকারি কর্মীদের স্বাস্থ্য প্রকল্পে চিকিৎসার সুযোগ বাড়াতে নতুন পদক্ষেপ করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এবার থেকে পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় পাটনা, গুয়াহাটি, কল্যাণী, ভুবনেশ্বর ও দেওঘরের এমস-এ চিকিৎসা করাতে পারবেন উপভোক্তারা। এতদিন দিল্লির এমস এই প্রকল্পের আওতায় স্বীকৃত ছিল। নতুন প্রতিষ্ঠানগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করার ফলে কলকাতা থেকে দূরের জেলায় বসবাসকারী উপভোক্তাদের বিশেষায়িত চিকিৎসা পেতে সুবিধা হবে বলে মনে করছে প্রশাসন।

তবে নতুন করে যুক্ত এই পাঁচটি প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসার জন্য আগাম অনুমতির প্রয়োজন হবে না। বুধবার, ১৪ অক্টোবর অর্থ দপ্তরের মেডিক্যাল সেল থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।। স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের (ডব্লিউবিএইচএস) উপভোক্তাদের জন্য দেশের আরও পাঁচটি এমস-কে জুড়ে দেওয়া হল। বুধবার জারি করা অর্থ দফতরের মেডিক্যাল সেলের বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। কলকাতা থেকে দূরবর্তী জেলায় বসবাসকারী উপভোক্তাদের উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা পেতে সুবিধা করে দেওয়াই এই পদক্ষেপের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানা গিয়েছে।

এত দিন দিল্লির আনসারি নগরে অবস্থিত এমস রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় চিকিৎসার জন্য তালিকাভুক্ত ছিল। এ বার সেই তালিকায় যুক্ত হল বিহারের পটনা, অসমের গুয়াহাটি, পশ্চিমবঙ্গের কল্যাণী, ওড়িশার ভুবনেশ্বর এবং ঝাড়খণ্ডের দেওঘরের এমস। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলিতে চিকিৎসার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য প্রকল্পের উপভোক্তাদের খরচ ফেরত পাওয়ার যোগ্যতা নির্ধারিত হবে সরকারের বেঁধে দেওয়া শর্ত অনুসারে।

নতুন নিয়মে চিকিৎসার জন্য আগাম অনুমতি নেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকছে না। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী উপভোক্তারা সংশ্লিষ্ট এমসে বহির্বিভাগে চিকিৎসা, পরীক্ষানিরীক্ষা, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া কিংবা অন্তর্বিভাগে চিকিৎসার জন্য যেতে পারবেন। তবে খরচ ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য প্রকল্পের প্রযোজ্য নিয়ম মানতে হবে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান যে অর্থ নেবে এবং স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় যে পরিমাণ অর্থ ফেরত পাওয়ার যোগ্য, তার মধ্যে যেটি কম, সেই পরিমাণই ফেরত দেওয়া হবে। প্রকল্পের অন্যান্য শর্ত, সীমা ও বিধিনিষেধও বহাল থাকবে।

বহির্বিভাগে চিকিৎসার খরচ ফেরতের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট বিধি রয়েছে। ২০০৮ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর জারি হওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত রোগ ও চিকিৎসার তালিকা অনুযায়ী এই খরচ ফেরত দেওয়া হবে। পরবর্তী সংশোধনী, ২০২৬ সালের ৭ সেপ্টেম্বরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ীও নিয়ম কার্যকর থাকবে। তালিকার বাইরে থাকা রোগ বা চিকিৎসার ক্ষেত্রে শুধু সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে বলেই খরচ ফেরত পাওয়া যাবে না।

তবে এই পাঁচটি প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা করাতে যাতায়াতের খরচ প্রকল্পের আওতায় ফেরত দেওয়া হবে না। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলিতে যাতায়াতের জন্য কোনও সফর-ভাতা মিলবে না। নতুন নির্দেশ কার্যকর হবে বিজ্ঞপ্তি জারির দিন থেকেই। চিকিৎসা সংক্রান্ত খরচ ফেরতের ক্ষেত্রে এই নির্দেশে যে পরিবর্তন করা হয়েছে, তা ছাড়া স্বাস্থ্য প্রকল্পের অন্য সব নিয়ম আগের মতোই বহাল থাকবে।

স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ মুভমেন্ট অ্যান্ড চিফ অ্যাডভাইজ়ার জাতীয়তাবাদী পেনশনর্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতা মনোজ চক্রবর্তী বলেন, ‘‘আমার বক্তব্য হল, এই সুযোগটা সর্বস্তরে সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে প্রসারিত করল রাজ্য সরকার। যেখানে যেখানে এমস আছে, সেখানে রাজ্য সরকারি কর্মচারী এবং পেনশনাররা যে সুযোগ সুবিধা পাবেন সেগুলো বিনা খরচে এবং যদি কিছু খরচা হয় সেটা ফেরত দেবে রাজ্য সরকার। এর জন্য আমি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।’’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed