সময় লোড হচ্ছে…
আজকের পাঠক 15
মোট ভিজিটর 521

সাত দিন পরে জেলমুক্তি দুই CJP নেতার

0
F

ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) নেতা আশুতোষ, সৌরভের মুক্তির নির্দেশ দেন আদালত। সাত দিন জেল হেফাজতে থাকার পরে অবশেষে মুক্তি পেলেন ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) দুই মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। বুধবার, ২১ অক্টোবর দিল্লির এক স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তাঁদের মুক্তির নির্দেশ দেন। গত ১৩ অক্টোবর জোরপূর্বক দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রবেশের কারণে তাদের গ্রেফতার করেছিল দিল্লি পুলিশ।

দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ঘটনায় আটক হন দু’জনে। ১৪ অক্টোবর থেকে সাত দিন বিচারবিভাগীয় হেফাজতে ছিলেন তারা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) নিয়ে প্রতিবাদ। দিল্লির স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নির্দেশে মুক্তি।

ঘটনার দিন যন্তর মন্তরের প্রবেশপথ বন্ধ থাকা সত্ত্বেও গেট টপকে ভিতরে প্রবেশ করেন CJP-র দুই নেতা বলে অভিযোগ। সেখানে জাতীয় পতাকা তুলে বিক্ষোভ দেখান তারা। মূলত, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) নিয়ে বিতর্ক এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ছিল এই কর্মসূচির অংশ।

পুলিশের অভিযোগ ছিল, এর আগে শান্তি বজায় রাখার যে বন্ডে তারা স্বাক্ষর করেছিলেন, এই ঘটনার মাধ্যমে তা লঙ্ঘন করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগে গত ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যাওয়ার সময়ে দুজনেই ফ্লাইট থেকে আটক হয়েছিলেন।

ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে মুক্তি দিলেন দিল্লির স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। গত ১৯ অক্টোবর তাদের জেল হেপাজতের মেয়াদ দু’দিন বাড়ানো হয়েছিল। দিল্লির যন্তর মন্তরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনের জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের অংশ হিসেবে সিজেপি’র এই দুই নেতা জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে গিয়েছিলেন। দুজনকেই আটক করে দিল্লি পুলিশ। তার আগে, গত ১০ অক্টোবর, স্বচ্ছ নির্বাচন প্রক্রিয়ার দাবিতে মিছিলের দিন এই দুই নেতাকে বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ১১ অক্টোবর দু’জনকে জামিনে ছাড়া হয়।

গত ১৩ অক্টোবর তাদের ফের আটক করা হয়। ১৪ অক্টোবর দিল্লির আদালত তাদের পাঁচ দিনের জেল হেপাজতের নির্দেশ দেয়। তিরঙ্গা পতাকা তোলার জন্য এই দুই নেতাকে তিহার জেলে পাঠানো হয়। আদালত বলে জামিনের শর্ত ভেঙেছেন আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস। ১৯ অক্টোবর তাদের মুক্তির কথা থাকলেও ফের দুদিনের জেল হেপাজত ঘোষণা করেন দিল্লির স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। সিজেপি’র পক্ষে দিল্লি হাইকোর্টেও যাওয়া হয়েছিল। বুধবার, ২১ অক্টোবর, তাদের মুক্তির নির্দেশ দেন স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট।

আদালত মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পর, সিজেপি (CJP) নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে মন্দির মার্গ থানা থেকে নিয়ে যাওয়া হয়। যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সৌরভ দাস বলেন, ‘সত্যের জয় হলো। নয়াদিল্লির স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট জানিয়েছে যে, শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কা সংক্রান্ত উদ্বেগ নিরসনের জন্য তাদের লিখিত অঙ্গীকার ও বন্ডই যথেষ্ট।

’ বিচার বিভাগীয় হেফাজত থেকে গতকাল মুক্তি পেয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টি-র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। নয়াদিল্লির স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট জানিয়েছে যে, শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কা সংক্রান্ত উদ্বেগ নিরসনের জন্য তাঁদের লিখিত অঙ্গীকার ও বন্ডই যথেষ্ট।

মুক্তির পর, CJP-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের শেয়ার করা একটি ভিডিওতে তাঁদের ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’, ‘ভারত মাতা কি জয়’ এবং ‘জ্ঞানু মাস্ট গো’ স্লোগান দিতে দেখা গেছে। এই পরিস্থিতিতে ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্ব এবার কোন পথে তাঁদের আন্দোলন এগিয়ে নিয়ে যান, তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। মুক্তির নির্দেশ মানেই অভিযোগের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি নয়। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া বা অন্য কোনও পদক্ষেপ হবে কি না, তা সংশ্লিষ্ট আদালতের নির্দেশ ও মামলার পরিস্থিতির উপর নির্ভর করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed