সময় লোড হচ্ছে…
আজকের পাঠক 17
মোট ভিজিটর 523

হাওড়া স্টেশন চত্বরে বড় বদলের পরিকল্পনা: স্কাইওয়াক, আধুনিক সাবওয়ে ও ১৩ তলা হাব

0

হাওড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে স্টেশন পর্যন্ত হবে স্কাইওয়াক! ভোল বদলাচ্ছে চত্বরের, থাকছে নতুন নতুন অনেক চমক। হাওড়া স্টেশন সংলগ্ন বাস টার্মিনালের জায়গায় বহুতল পরিবহণ ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র তৈরির প্রস্তাব সামনে এসেছে। পাশাপাশি স্টেশন পর্যন্ত স্কাইওয়াক এবং দুটি সাবওয়ে আধুনিকীকরণের পরিকল্পনাও রয়েছে। তবে প্রকল্পটি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে। প্রথমেই নবরূপে গড়ে তোলা হবে হাওড়া বাসস্ট্যান্ড। স্টেশনের বাইরে মাথা তুলবে ১২-১৩ তলার এক বিল্ডিং। নীচের তলায় হবে বাসস্ট্যান্ড। হাওড়া বাসস্ট্যান্ড চত্বরে ভোলবদলের পরিকল্পনা। আধুনিকতার ছোঁয়ায় নবরূপে সাজিয়ে ফেলা হবে ওই চত্বর। তৈরি হবে স্কাইওয়াকও।

হাওড়া স্টেশন চত্বরের যানজট কমানো এবং যাত্রী পরিষেবা উন্নত করতে বড়সড় পরিকাঠামোগত পরিবর্তনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। বর্তমানে যে জায়গায় বাস টার্মিনাল রয়েছে, সেখানে আনুমানিক ২৫০ থেকে ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৩ তলা বহুমুখী পরিবহণ ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বে বাস্তবায়নের কথা বিবেচনা করা হচ্ছে।

দেশের অন্যতম ব্যস্ত স্টেশন হাওড়া। প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষের সমাগম হয় এই স্টেশনে। দেশের নানা প্রান্তের ট্রেন ছাড়ে এখান থেকে। আর সেই কারণে এই হাওড়া স্টেশনকে ঘিরে বাস, ট্যাক্সির আনাগোনা সব সময়। তবে হাওড়া স্টেশনের পাশের বাসস্ট্যান্ডের ছবি অনেকটাই অস্বাস্থ্যকর। চারপাশে জল জমে থাকে। ইতিউতি পড়ে আবর্জনা। যদিও সেই ছবি আর বেশি দিন দেখতে হবে না যাত্রীদের। ওই বাসস্ট্যান্ড চত্বরের আধুনিকীকরণ করা হচ্ছে। অন্তত সেই পরিকল্পনাই নিয়েছে পুরসভা-প্রশাসন।

প্রথমেই নবরূপে গড়ে তোলা হবে হাওড়া বাসস্ট্যান্ডটি। স্টেশনের বাইরে মাথা তুলবে ১২-১৩ তলার এক বিল্ডিং। নীচের তলায় হবে বাসস্ট্যান্ড। তার উপরের তলায় চার বা দু’চাকা গাড়ি রাখার জায়গা। থাকবে ট্যাক্সি স্ট্যান্ড, পার্কিং জ়োন। ওই বিল্ডিংয়ের মধ্যে থাকবে শপিং মলও। খাওয়ার বন্দোবস্তের জন্য ফুড কোর্টের ব্যবস্থাও থাকবে সেখানে। আর একেবারে উপরের তলায় মাল্টিপ্লেক্স। শুধু তা-ই নয়, যাত্রীদের সুবিধার্থে বাসস্ট্যান্ড থেকে স্টেশন যাওয়ার জন্য তৈরি হবে স্কাইওয়াকও।

এর পাশাপাশি প্রায় ৩৫০ মিটার দীর্ঘ প্রধান সাবওয়ে এবং ফেরিঘাটের দিকে যাওয়া প্রায় ৫০ মিটার দীর্ঘ সাবওয়ে সংস্কারের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রায় ৪৫ কোটি টাকার এই কাজে গ্রানাইটের মেঝে, এলইডি আলো, এসক্যালেটর, সিসিটিভি, অগ্নিনিরাপত্তা এবং ডিজিটাল নির্দেশিকা বসানো হতে পারে। দুর্গাপুজোর পর কাজ শুরু করে ২০২৭ সালের পুজোর আগে শেষ করার লক্ষ্য পুরসভার এমনটাই সুত্রেরের খবর । রেল, KMDA, হাওড়া পুরসভা ও রাজ্য প্রশাসনের সমন্বয়ে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের কথা। তবে এটি এখনও প্রাথমিক প্রস্তাব—নির্মাণের সময়সূচি ও প্রকল্পের চূড়ান্ত রূপ সরকারি অনুমোদন এবং DPR-এর উপর নির্ভর করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed