খাড়্গের বাড়িতে বিরাট সমাবেশ, জনতার সভায় জ্ঞানেশ কুমারকে ইমপিচ করবে বিরোধীরা!
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে বাড়ছে আন্দোলনের উত্তাপ। এসআইআর-এ অনিয়মের অভিযোগে আন্দোলনে’ইন্ডি’ জোট। মল্লিকার্জুন খাড়্গের বাড়িতে বিরাট সমাবেশের আয়োজন। জনতার সভায় জ্ঞানেশ কুমারকে ইমপিচ করবে বিরোধীরা! আজ কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের বাড়িতে বসছে সভা। বিরোধীরা আয়োজন করেছে এই পাবলিক ইমপিচমেন্টের। বিকেল ৪টে থেকে শুরু হবে এই সভা। এই প্রতীকী কর্মসূচিতে জ্ঞানেশ কুমারকে ইমপিচ করবে বিরোধীরা।

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে বাড়ছে আন্দোলনের উত্তাপ। এসআইআর-এ অনিয়মের অভিযোগে আন্দোলনে’ইন্ডি’ জোট। আজ দিল্লিতে মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনে জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের প্রস্তাব। মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনেই বসবে মক পার্লামেন্ট। গোটা কর্মসূচি পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে লোকসভার প্রাক্তন স্পিকার মীরা কুমারকে।

সোজা হাতে ঘি না ওঠায়, আঙুল বেঁকাচ্ছে বিরোধীরা। জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে এককাট্টা হয়েছে বিরোধী দলগুলি। বারবার পথে নেমেছে ইন্ডিয়া জোট। এবার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে পাবলিক ইমপিচমেন্ট!আজ কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের বাড়িতে বসছে সভা। বিরোধীরা আয়োজন করেছে এই পাবলিক ইমপিচমেন্টের। বিকেল ৪টে থেকে শুরু হবে এই সভা। এই প্রতীকী কর্মসূচিতে জ্ঞানেশ কুমারকে ইমপিচ করবে বিরোধীরা।

জানা গিয়েছে, স্পিকারের ভূমিকায় থাকবেন ইউপিএ জামানার প্রাক্তন স্পিকার মীরা কুমার। তবে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-সহ ট্রেজারি বেঞ্চের ভূমিকায় কোনও বিরোধী নেতা অভিনয় করবেন না বলেই জানা গিয়েছে। এই কর্মসূচিতে সংসদের অবমাননা যাতে না হয়, সেই বিষয়েও সতর্ক বিরোধী নেতৃত্ব। সেই কারণেই ‘মক পার্লামেন্ট’ শব্দবন্ধটি ব্যবহার করতে চাইছে না বিরোধীরা।

জানা গিয়েছে, পাবলিক ইমপিচমেন্টের দাবি সনদ পেশ করবেন রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে।সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নয়, কিন্তু এসআইআর (SIR)-এ নাম বাদ গিয়েছে এমন দুইজন সাধারণ মানুষকে এরপর বক্তব্য রাখতে দেওয়া হবে। অংশগ্রহণ করবেন সিভিল সোসাইটি সদস্যরাও। তবে সিজেপি থাকবে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়।

পার্লামেন্টে সাংসদ সংখ্যার শক্তির নিরিখে প্রত্যেক বিরোধী দলের বক্তব্যের সময় নির্ধারিত হচ্ছে। তৃণমূল এবং সমাজবাদী পার্টির তরফে ১০ মিনিট করে বক্তৃতা দেওয়া হবে। রাহুল গান্ধীর বক্তৃতার মধ্যে দিয়ে শেষ হবে কর্মসূচি।