সময় লোড হচ্ছে…
আজকের পাঠক 1
মোট ভিজিটর 167

পুজোর আগে বৌবাজারে ঘরে ফেরা, সাত বছরের অপেক্ষা শেষে বাড়ি হস্তান্তর

0
F

৭ বছর পর বউবাজারে ফিরল ‘নিজের ঘর’! পুজোর আগেই ভিটেহারাদের হাতে নতুন বাড়ির চাবি, বড় উদ্যোগ রাজ্য সরকারের। ইস্ট–ওয়েস্ট মেট্রোর কাজের সময় বিপর্যয়ে ঘরছাড়া বৌবাজারের বাসিন্দাদের একাংশ পুনর্নির্মিত বাড়ি ফিরে পাচ্ছেন। তবে সব ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসন এখনও শেষ হয়নি।

পুজোর আগে বৌবাজারের ঘরছাড়া বাসিন্দাদের একাংশের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হচ্ছে। ইস্ট–ওয়েস্ট মেট্রোর সুড়ঙ্গ নির্মাণের সময় ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িগুলির পুনর্নির্মাণের পর শুরু হয়েছে হস্তান্তর। বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, প্রায় ২০ জন বাসিন্দা বাড়িতে ফিরেছেন বলে সূত্রের খবর।

২০১৯-এর ৩১ অগস্ট ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর কাজের জেরে বউবাজারে যে বিপর্যয় ঘটেছিল, তাতে পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছিল ২৪টি বাড়ি। ক্ষতিগ্রস্ত হয় আরও ২৮টি। দুর্গা পিতুরি লেন, স্যাকরা পাড়া লেন, মদন দত্ত লেন, হিদারাম ব্যানার্জি স্ট্রিটে একের পর এক বাড়িতে দেখা দেয় ফাটল। পরে বহু পরিবারকে প্রশাসনের নির্দেশে ঘর ছাড়তে হয়েছিল। তার সাত বছর পরে বৃহস্পতির অর্চনা রায়, আশা সেন, রাজলক্ষ্মী সেন, শর্মিষ্ঠা দাস, দীপক গুপ্ত, সন্তোষ সাউ, রাজদীপ বড়াল, স্বপন বড়াল ও জয়দীপ বড়ালের হাতে নতুন বাড়ির চাবি তুলে দেওয়া হয় ‘অরুণোদয়’ নামে বিশেষ এক অনুষ্ঠানে। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তাপস রায় এবং বিধায়ক সজল ঘোষ।এদিনের এই অরুণোদয় অনুষ্ঠানে ছিলেন দুর্ঘটনার পর থেকে দুর্গতদের পাশে থাকা স্থানীয় ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার বিশ্বরূপ দে–ও।

বিপর্যয়ের সূত্রপাত ২০১৯ সালের ৩১ অগস্ট। মেট্রোর সুড়ঙ্গ খোঁড়ার সময় মাটির নীচের জলস্তরে সমস্যা তৈরি হয় এবং এলাকায় একাধিক বাড়িতে ফাটল দেখা দেয়। ৩১ অগস্ট ও ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বহু বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে কিছু বাড়ি ভেঙে পড়ে এবং পুনর্নির্মাণের প্রয়োজন হয়। সাময়িক আশ্রয় ও ভাড়া বাড়িতে কাটানো সময়ের পর এখন নিজেদের পাড়ায় ফেরার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। তবে পুনর্বাসনের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে—এমন দাবি করা যাচ্ছে না। অবশিষ্ট বাড়ি পুনর্নির্মাণের সম্ভাব্য সময়সীমা এখনও সঠিক জানা যায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *